স্বাস্থ্য
একাকিত্বে ভুগছেন? যেভাবে দূর করবেন
বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করছেন, একাকীত্ব মানসিক ও দৈহিক দুই ধরনের সমস্যাই সৃষ্টি করে। একাকীত্বের ফলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে মানসিক সমস্যার পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেকাংশে কমে যায়। শুধু তাই নয়, হৃদরোগের সমস্যাও বাড়ে।
অনেকেই সঙ্গ থাকা সত্ত্বেও ভীষণ একাকীত্বে ভোগেন। বন্ধুদের আড্ডায় কিংবা পরিবারের সঙ্গ কিছুই তার বিষন্নতা কিংবা অবসাদ দূর করতে পারে না। এমন ক্ষেত্রে কি করলে এই মানসিক সমস্যা দূর করতে পারবেন? সে বিষয়েই রইলো কিছু পরামর্শ:
অন্যকে মনের ভাব প্রকাশ করুন : একাকীত্বে যারা ভোগেন তারা অনেক সময় অন্যকে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে রাজি হন না। তারা মনের ভেতরে এক ধরনের সুপ্ত অভিমান জাগিয়ে রাখেন। অবশ্য আজকের দিনে কেউই আসলে ব্যস্ততার কারণে সেই ব্যক্তির খোঁজ রাখতে পারেন না বা রাখেন না। তাই বিষন্নতায় ভুগলে তা অন্যকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। একজনকেই বলতে হবে এমন না। অনেক বন্ধুকেই জানাতে পারেন।
নিজের দিকে মনোযোগ দিন : ব্যস্ততা কিংবা নানা অজুহাতে নিজের দিকে মনোযোগ দেয়ার ফুরসত না পেলেও একাকিত্ব কাবু করতে পারে। তাই নিজের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরনের মাধ্যমে মন ভাল রাখতে পারেন।
মস্তিস্কের কার্যকারিতা বাড়ান : অলস মস্তিস্কও একাকিত্বের কারণ। সবসময় আগ্রহের কাজের সঙ্গে সংযুক্ত থাকুন। প্রয়োজনে মস্তিস্কের কিছু ব্যায়াম শিখে নিন। এভাবে একাকিত্বও দূর হয় অনেক।
সমাজসেবামূলক কাজ করুন : অন্যকে খুশি করার উপলক্ষ্য তৈরি করতে পারেন। আবার সমাজসেবামূলক কাজে নিজেকে সংযুক্ত করতে পারেন। চারদিকে এত নেতিবাচক খবর যে অনেকেই এমন আগ্রহ আর টিকিয়ে রাখতে পারেন না। সেক্ষেত্রে এমন কাজে যুক্ত হয়ে কিছুটা মন ভালো করা যেতে পারে।
ভার্চুয়াল সময়কে না : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের একাকিত্বকে কাজে লাগিয়েই সফল হচ্ছে। তাই ভার্চুয়াল জগতে সময় কমান। নিজেকে সময় দেওয়ার অফুরন্ত সুযোগ খুঁজে পাবেন। পৃথিবীকে নতুন করে দেখার একটি সুযোগ তখন থাকবে।

